রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার অস্ট্রেলিয়া আগমন ৯ মে সিডনিতে গাইবেন রবীন্দ্রসংগীতের বরেণ্য এই শিল্পী
প্রশান্তিকা ডেস্ক : বাংলাদেশের স্বাধীনতা পুরস্কার ও ভারতের পদ্মশ্রী সম্মাননায় ভূষিত প্রখ্যাত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছেছেন। গতকাল সন্ধ্যায় সিডনি বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান প্রভাতফেরী ও বিগবি’র কুশীলব এবং সদস্যরা।
তিনি আগামীকাল মেলবোর্নে এবং ৯ মে শনিবার সিডনিতে সংগীত পরিবেশন করবেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে সিডনিতে প্রভাতফেরী ও বিগবি আয়োজন করছে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘ধুন ২০২৬’। এই আয়োজনের প্রধান আকর্ষণ বরেণ্য শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।
শনিবার সন্ধ্যায় সিডনির Penrith-এর John Sutherland Performing Arts Centre-এর Richard Bonynge Concert Hall-এ অনুষ্ঠিত হবে এ অনুষ্ঠান। আয়োজকদের প্রত্যাশা, রবীন্দ্রসংগীতপ্রেমীদের মিলনায়তনে এক অনন্য সাংস্কৃতিক আবহ তৈরি হবে।
বাংলাদেশের অন্যতম প্রখ্যাত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ১৯৫৭ সালের ১৩ জানুয়ারি রংপুরে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি সংগীতচর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে ছায়ানট ও শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রসংগীতের ওপর উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান নতুন প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় করে তুলতে তার অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
শুধু বাংলাদেশেই নয়, ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করে তিনি ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছেন। তার কণ্ঠের স্বচ্ছতা, আবেগ ও শুদ্ধ উচ্চারণ তাকে দিয়েছে স্বতন্ত্র মর্যাদা। তিনি “শুদ্ধস্বর” নামে একটি সংগীত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন। সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা পুরস্কার ও ভারতের পদ্মশ্রী সম্মাননায় ভূষিত হন।
সিডনির আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অনুষ্ঠানের সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। খুব অল্প সংখ্যক টিকিট এখনও অবশিষ্ট রয়েছে। আগ্রহী দর্শকেরা বিগবি কর্ণধার বাসব রায়ের ফোন নম্বর (+61 435 215 509)-এ যোগাযোগ করে কিংবা নিচের লিংক থেকে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন—
https://www.thejoan.com.au/whats-on/dhun-2026/
অনুষ্ঠানের অন্যতম আয়োজক প্রভাতফেরী’র সম্পাদক শ্রাবন্তী কাজী বলেন, “কবিগুরুর জন্মজয়ন্তীর এই বিশেষ আয়োজনে সবাইকে আন্তরিক আমন্ত্রণ। দুই বাংলার দর্শক-শ্রোতার পায়জামা/ধুতি-পাঞ্জাবি ও শাড়ির বর্ণিল উপস্থিতিতে বাঙালিয়ানার রঙে মুখরিত হয়ে উঠুক পুরো প্রাঙ্গণ।”




